Skip to content

সুবচন : সরল পথের স্মরণিকা ১৪০ অক্ষরে

আপনি চাইলেই টুইটারে টুইট করতে পারবেন এই কুরআনের আয়াত, হাদিস এবং সুন্দর কিছু বাণী

  • “আসমানে যা আছে এবং যমীনে যা আছে তার সবই আল্লাহর তাসবীহ করছে। তিনি বাদশাহ, অতি পবিত্র এবং মহা পরাক্রমশালী ও জ্ঞানময়”। [সূরা জুমুআ – ১]
  • “তিনি ক্ষমাশীল, প্রেমময়, * আরশের মালিক, শ্রেষ্ঠ-সম্মানিত * এবং তিনি যা চান তাই করেন।” [সূরা বুরুজ : ১৪-১৬]
  • “তাদের মিথ্যা আরোপ করায় এ কুরআনের কিছু আসে যায় না | বরং এ কুরআন উন্নত মর্যাদা সম্পন্ন, সংরক্ষিত ফলকে লিপিবদ্ধ।” — [সূরা বুরুজ : ২১-২২]
  • “আসলে তোমার রবের পাকড়াও বড় শক্ত। তিনিই প্রথমবার সৃষ্টি করেন আবার তিনিই দ্বিতীয় বার সৃষ্টি করবেন।” [সূরা বুরুজ: ১২-১৩]
  • ”আমি কি তোমাদের দোজখীদের বিষয়ে জানাব না? তারা হলো: প্রত্যেক অহংকারী, সীমালংঘনকারী, অবিনয়ী ও উদ্ধত লোক” — [বুখারী, মুসলিম]
  • “কাজেই ছেড়ে দাও, হে নবী! এ কাফেরদেরকে সামান্য কিছুক্ষণের জন্য এদের অবস্থার ওপর ছেড়ে দাও।” [সূরা তারিক : ১৭]
  • “এমন কোন প্রাণ নেই যার ওপর কোন হেফাজতকারী নেই” … [সূরা আত তারিক – ৪]
  • “….. আমি শয়তানদেরকে তাদের বন্ধু করে দিয়েছি , যারা বিশ্বাস স্থাপন করে না”। [সূরা আল আ’রাফ – ২৭]
  • “…..আমি কাউকে তার সাধ্যের অতীত কষ্ট দেই না। যখন তোমরা কথা বল, তখন সুবিচার কর, যদিও সে আত্নীয়ও হয়…”। [সূরা আল আন’আম : ১৫২]
  • ”আমি কি তোমাদের দোজখীদের বিষয়ে জানাব না? তারা হলো: প্রত্যেক অহংকারী, সীমালংঘনকারী, অবিনয়ী ও উদ্ধত লোক” [বুখারী, মুসলিম]
  • “নিশ্চয় যারা তাদের পালনকর্তাকে না দেখে ভয় করে, তাদের জন্যে রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার”। — [সূরা মুলক : ১২]
  • “…নির্লজ্জতার কাছেও যেয়ো না, প্রকাশ্য হোক কিংবা অপ্রকাশ্য…” [সূরা আনআম – ১৫১]
  • “কোন সৎকাজকে অবজ্ঞা করো না, যদিও তা তোমার ভাই এর সাথে হাসিমুখে সাক্ষাত করার কাজ হয়।” [মুসলিম]
  • “আল্লাহ তা’আলা তোমাদের চেহারা ও দেহের প্রতি দৃষ্টিপাত করেন না; বরং তোমাদের অন্তর ও কর্মের প্রতি লক্ষ্য আরোপ করেন।” [মুসলিম]
  • “লজ্জাশীলতা কল্যাণই বয়ে আনে” [বুখারী ও মুসলিম] …. মুসলিমের এক বর্ণনায় এরূপ রয়েছেঃ “লজ্জাশীলতার পুরোটাই কল্যাণময়।”
  • “বলুন, তিনিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং দিয়েছেন কর্ণ, চক্ষু ও অন্তর। তোমরা অল্পই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর”। — [সূরা আল মুলক : ২৩]
  • “তিনিই আল্লাহ তা’আলা, তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই; তিনি দৃশ্য ও অদৃশ্যকে জানেন তিনি পরম দয়ালু, অসীম দাতা”। — [সূরা হাশর – ২২]
  • “সৎকাজের আদেশ অসৎকাজ থেকে নিষেধ অথবা আল্লাহর স্মরণ সংবলিত কথা ছাড়া সমস্ত কথাই আদম সন্তানের জন্য ক্ষতিকর”। – [তিরমিযী, ইবনে মাজাহ]
  • “আল্লাহ তায়ালা কোমল চিত্ত। সবকিছুতে তিনি কোমলতাকে পছন্দ করেন।” –[বুখারী ও মুসলিম]
  • “নিস্প্রয়োজন কথা ও কাজ বর্জন মানুষের দীনদারীকে সৌন্দর্যমন্ডিত করে।” — [তিরমিযী]
  • “রহমান-এর বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং তাদের সাথে যখন মুর্খরা কথা বলতে থাকে, তখন তারা বলে, সালাম।” [সূরা ফুরকানঃ ৬৩]
  • “প্রচার করো,যদি একটিমাত্র আয়াতও হয়” {বুখারি ৩৪৬১}
  • “যারা দোযখে যাবে এবং যারা জান্নাতে যাবে তারা পরস্পর সমান হতে পারেনা। যারা জান্নাতে যাবে তারাই সফলকাম।” — [সূরা আল হাশরঃ ২০]
  • “বিরতি দিয়ে দিয়ে পরস্পরের সাথে মিলিত হও, তাহলে তোমাদের ভেতরে সম্প্রীতি ও ভালোবাসা বাড়বে।” [তাবরানী, বাযযার]
  • তোমাদের কেউই পূর্ণ ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে তার ভাইয়ের জন্য তা-ই পছন্দ না করবে যা সে নিজের জন্য পছন্দ করে [বুখারী ও মুসলিম]
  • মানুষ যা চায়, তাই কি পায়? — [সূরা নাজমঃ ২৪] এবং মানুষ তাই পায়, যা সে করে — [সুরা নাজমঃ ৩৯]
  • তারা কি জানেনি যে,আল্লাহ যার জন্যে ইচ্ছা রিযিক বৃদ্ধি করেন এবং পরিমিত দেন।নিশ্চয় এতে বিশ্বাসী সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে [যুমার-৫২]
  • “তোমরা তোমাদের পালনকর্তার অভিমূখী হও এবং তাঁর আজ্ঞাবহ হও তোমাদের কাছে আযাব আসার পূর্বে।এরপর তোমরা সাহায্যপ্রাপ্ত হবে না” [সূরা যুমার-৫৪]
  • “নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সবই আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রান্ত প্রজ্ঞাবান।” [সূরা সফ -১]
  • “মুমিনগণ! তোমরা যা কর না, তা কেন বল? তোমরা যা কর না, তা বলা আল্লাহর কাছে খুবই অসন্তোষজনক।” [সূরা সফ :২-৩]
  • “তোমরা তোমাদের কথা গোপনে বল অথবা প্রকাশ্যে বল, তিনি তো অন্তরের বিষয়াদি সম্পর্কে সম্যক অবগত।” [সূরা মুলক -১৩]
  • “বলুন, তোমরা ভেবে দেখেছ কি, যদি তোমাদের পানি ভূগর্ভের গভীরে চলে যায়, তবে কে তোমাদেরকে সরবরাহ করবে পানির স্রোতধারা?” [সূরা মুলক -৩০]
  • “নিশ্চয় সাফল্য লাভ করবে সে, যে শুদ্ধ হয় এবং তার পালনকর্তার নাম স্মরণ করে, অতঃপর নামায আদায় করে।” [সূরা আ’লা ১৪-১৫]
  • “বস্তুতঃ তোমরা পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দাও, অথচ পরকালের জীবন উৎকৃষ্ট ও স্থায়ী।” [সূরা আ’লা ১৬-১৭]
  • “অতএব, আপনি উপদেশ দিন, আপনি তো কেবল একজন উপদেশদাতা, আপনি তাদের শাসক নন” [সূরা গাশিয়াহ ২১-২২]
  • ” নিশ্চয় তাদের প্রত্যাবর্তন আমারই নিকট, অতঃপর তাদের হিসাব-নিকাশ আমারই দায়িত্ব।” [সূরা গাশিয়াহ ২৫-২৬]
  • “আমি সৃষ্টি করেছি মানুষকে সুন্দরতর অবয়বে। অতঃপর তাকে ফিরিয়ে দিয়েছি নীচ থেকে নীচে।” [আত-ত্বীন ৪-৫]
  • “অতঃপর কেন তুমি অবিশ্বাস করছ কেয়ামতকে? আল্লাহ কি বিচারকদের মধ্যে শ্রেষ্টতম বিচারক নন?” [আত ত্বীন ৭-৮]
  • “কিন্তু যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে ও সৎকর্ম করেছে, তাদের জন্যে রয়েছে অশেষ পুরস্কার। অতঃপর কেন তুমি অবিশ্বাস করছ কেয়ামতকে?” [আত-ত্বীন : ৬-৭]
  • “পাঠ করুন আপনার পালনকর্তার নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট রক্ত থেকে”। .. [আল-আলাক ১-২]
  • ” অতঃপর কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে তা দেখতে পাবে এবং কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলে তাও দেখতে পাবে।” [সূরা যিলযাল ৭-৮]
  • “তোমরা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের অভিপ্রায়ের বাইরে অন্য কিছুই ইচ্ছা করতে পার না।” [আত-তাকউয়ির ২৯]
  • “অতঃপর আপনি জানেন, বিচার দিবস কি? যেদিন কেউ কারও কোন উপকার করতে পারবে না এবং সেদিন সব কর্তৃত্ব হবে আল্লাহর”। [আল ইনফিতার ১৮-১৯]
  • “নিশ্চয় সৎলোকগণ থাকবে পরম আরামে, সিংহাসনে বসে অবলোকন করবে। আপনি তাদের মুখমন্ডলে স্বাচ্ছন্দ্যের সজীবতা দেখতে পাবেন”। [আল মুতাফফিফীন ২২-২৪]
  • ” কিন্তু যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্য রয়েছে অফুরন্ত পুরস্কার।” [আল ইনশিক্কাক ২৫]
  • “যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাদের জন্যে আছে জান্নাত, যার তলদেশে প্রবাহিত হয় নির্ঝরিণীসমূহ। এটাই মহাসাফল্য।” [সূরা বুরুজ – ১১]
  • “মুমিনগণ! তোমরা যা কর না, তা কেন বল? তোমরা যা কর না, তা বলা আল্লাহর কাছে খুবই অসন্তোষজনক।” [সূরা আস সফ ২-৩]
  • “এ সেই কিতাব যাতে কোনই সন্দেহ নেই। পথ প্রদর্শনকারী পরহেযগারদের জন্য” [সূরা আল বাকারাহ ২]
  • “আল্লাহ তা’আলা তোমাদের চেহারা ও দেহের প্রতি দৃষ্টিপাত করেন না; বরং তোমাদের অন্তর ও কর্মের প্রতি লক্ষ্য আরোপ করেন।” [মুসলিম]
  • “তোমরা সহজ নীতি ও আচরণ অবলম্বন করো, কঠোর নীতি অবলম্বন করো না। সুসংবাদ শুনাতে থাকো এবং পরস্পর ঘৃণা ও বিদ্বেষ ছড়িও না।” [বুখারী ও মুসলিম]
  • “পুণ্য ও সততা সচ্চরিত্রেরই অপর নাম। গুনাহ হলো সেই জিনিস যা তোমার অন্তরে সন্দেহ সৃষ্টি করে এবং লোকে জেনে ফেলুক তা তুমি অপছন্দ করো।” [মুসলিম]
  • “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চামড়ার একটা বিছানা ছিলো, এর ভেতরে ভরা ছিলো খেজুরের ছাল।” [বুখারী]
  • “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জামার আস্তিন ছিলো কব্জি পর্যন্ত।” [আবু দাউদ, তিরমিযি]
  • “যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং তাদের অন্তর আল্লাহর যিকির দ্বারা শান্তিলাভ করে;জেনে রাখ,আল্লাহর যিকির দ্বারাই অন্তরসমূহ শান্তি পায়” [আর-রাদ ২৮]
  • “তিনিই সেই আল্লাহ, যিনি তোমাদের আকৃতি গঠন করেন মায়ের গর্ভে, যেমন তিনি চেয়েছেন। তিনি ছাড়া আর কোন উপাস্য নেই। …” [সূরা আল ইমরান -৬]
  • “….হে আমাদের পালনকর্তা! এবং আমাদের উপর এমন দায়িত্ব অর্পণ করো না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর অর্পণ করেছ….” [সূরা বাকারা ২৮৬]
  • “আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যাতীত কোন কাজের ভার দেন না, সে তাই পায় যা সে উপার্জন করে এবং তাই তার উপর বর্তায় যা সে করে।….” [সূরা বাকারা ২৮৬]
  • “হে ঈমানদারগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সুদের যে সমস্ত বকেয়া আছে, তা পরিত্যাগ কর, যদি তোমরা ঈমানদার হয়ে থাক। ” [সূরা বাকারাহ ২৭৮]
  • “…যে মাল তোমরা ব্যয় কর, তা নিজ উপাকারার্থেই কর। আল্লাহর সন্তুষ্টি ছাড়া অন্য কোন উদ্দেশ্যে ব্যয় করো না।…” [সূরা বাকারাহ ২৭২]
  • “… উপদেশ তারাই গ্রহণ করে, যারা জ্ঞানবান।… ” [সূরা বাকারাহ ২৬৯]
  • “নম্র কথা বলে দেয়া এবং ক্ষমা প্রদর্শন করা ঐ দান খয়রাত অপেক্ষা উত্তম,যার পরে কষ্ট দেয়া হয়।আল্লাহ তা’আলা সম্পদশালী,সহিঞ্চু।” [সুরা বাকারা-২৬৩]
  • “….হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের মনে ধৈর্য্য সৃষ্টি করে দাও এবং আমাদেরকে দৃঢ়পদ রাখ-….” [সূরা বাকারা ২৫০]
  • “…নিশ্চয় আমরা সবাই আল্লাহর জন্য এবং আমরা সবাই তাঁরই সান্নিধ্যে ফিরে যাবো।” [সূরা বাকারা ১৫৬]
  • “আর যারা আল্লাহর রাস্তায় নিহত হয়, তাদের মৃত বলো না। বরং তারা জীবিত, কিন্তু তোমরা তা বুঝ না।” [সূরা বাকারা ১৫৪]
  • “হে মুমিন গন! তোমরা ধৈর্য্য ও নামাযের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর। নিশ্চিতই আল্লাহ ধৈর্য্যশীলদের সাথে রয়েছেন।” [সূরা বাকারা ১৫৩]
  • “সুতরাং তোমরা আমাকে স্মরণ কর, আমিও তোমাদের স্মরণ রাখবো এবং আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর; অকৃতজ্ঞ হয়ো না।” [সূরা বাকারা ১৫২]
  • “তোমাদের পালনকর্তা বলেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি সাড়া দেব।….. ” [সূরা গাফির ৬০]
  • “….যদি আল্লাহর নেয়ামত গণনা কর, তবে গুণে শেষ করতে পারবে না। নিশ্চয় মানুষ অত্যন্ত অন্যায়কারী, অকৃতজ্ঞ।” [সূরা ইবরাহিম ৩৪]
  • “হে আমাদের পালনকর্তা, আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে এবং সব মুমিনকে ক্ষমা করুন, যেদিন হিসাব কায়েম হবে।” [সূরা ইবরাহিম ৪১]
  • “সমগ্র পৃথিবীটাই সম্পদে পরিপূর্ণ। এর মধ্যে কল্যাণকর ও উত্তম সম্পদ হল চরিত্রবান নেককার স্ত্রী।” [মুসলিম]
  • “তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া না থাকলে এবং আল্লাহ তওবা কবুল কারী, প্রজ্ঞাময় না হলে কত কিছুই যে হয়ে যেত” — [আন-নূর -১০]
  • “যদি তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া না থাকত এবং আল্লাহ দয়ালু, মেহেরবান না হতেন, তবে কত কিছুই হয়ে যেত” — [আন নূর ২০]
  • “যারা পছন্দ করে যে, ঈমানদারদের মধ্যে ব্যভিচার প্রসার লাভ করুক, তাদের জন্যে ইহাকাল ও পরকালে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি রয়েছে…” [আন নূর :১৯]
  • “যারা সতী-সাধ্বী, নিরীহ ঈমানদার নারীদের প্রতি অপবাদ আরোপ করে, তারা ইহকালে ও পরকালে ধিকৃত এবং তাদের জন্যে রয়েছে গুরুতর শাস্তি”। [আন নূর :২৩]
  • “মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর হেফাযত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে… ” — [সূরা আন নূর :৩০]
  •     “মুমিনগণ,কেউ যেন অপর কাউকে উপহাস না করে।কেননা,সে উপহাসকারী অপেক্ষা উত্তম হতে পারে এবং কোন নারী অপর নারীকেও যেন উপহাস না করে” [হুজুরাত-১১]
  • ” ….তোমরা একে অপরের প্রতি দোষারোপ করো না এবং একে অপরকে মন্দ নামে ডেকো না।…..” [সূরা হুজুরাত -১১]
  • “মুমিনগণ, কেউ যেন অপর কাউকে উপহাস না করে। কেননা, সে উপহাসকারী অপেক্ষা উত্তম হতে পারে…” [সূরা হুজুরাত -১১]
  • “আমি মানুষ সৃষ্টি করেছি এবং তার মন নিভৃতে যে কুচিন্তা করে, সে সম্বন্ধেও আমি অবগত আছি।…..” [সূরা ক্বাফ -১৬]
  • ” আমি জীবন দান করি, মৃত্যু ঘটাই এবং আমারই দিকে সকলের প্রত্যাবর্তন।” [সূরা ক্বাফ – ৪৩]
  • ” তোমাদের পালনকর্তা বলেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি সাড়া দেব। …” [সূরা গাফির – ৬০]
  • “…নিশ্চয় আল্লাহ মানুষের প্রতি অনুগ্রহশীল, কিন্তু অধিকাংশ মানুষ কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে না।” [সূরা গাফির – ৬১]
  • ” তিনিই জীবিত করেন এবং মৃত্যু দেন। যখন তিনি কোন কাজের আদেশ করেন, তখন একথাই বলেন, হয়ে যা’-তা হয়ে যায়।” [সূরা গাফির – ৬৮]
  • “যে আল্লাহর দিকে দাওয়াত দেয়, সৎকর্ম করে এবং বলে, আমি একজন আজ্ঞাবহ, তার কথা অপেক্ষা উত্তম কথা আর কার?” [সূরা ফুসসিলাত- ৩৩]
  • “আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি দরূদ পাঠান। হে ঈমানদারগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি দরূদ ও সালাম পাঠাও।” [সূরা আল আহযাব – ৫৬]
  • “আল্লাহর প্রতি নির্ভর করো। কর্ম সম্পাদনের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট।” [আল আহযাব – ৩]
  • “হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে বেশী করে স্মরণ করো এবং সকাল সাঁঝে তাঁর মহিমা ঘোষণা করতে থাকো।” [আল আহযাব : ৪১-৪২]
  • “হে ঈমানদারগণ!আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বল।” [আল আহযাব – ৭০]
  •     “…হে আমাদের পরওয়ারদেগার আমাদের জন্য ধৈর্য্যের দ্বার খুলে দাও এবং আমাদেরকে মুসলমান হিসাবে মৃত্যু দান কর”। [সূরা আল আ’রাফ – ১২৬]
  • “যারা এতীমদের অর্থ-সম্পদ অন্যায়ভাবে খায়, তারা নিজেদের পেটে আগুনই ভর্তি করেছে এবং সত্ত্বরই তারা অগ্নিতে প্রবেশ করবে।” [সূরা নিসা – ১০]
  • “আল্লাহ তোমাদের বোঝা হালকা করতে চান। মানুষ দুর্বল সৃজিত হয়েছে।” [সূরা নিসা – ২৮]
  • “…আমি যাকে ইচ্ছা, মর্যাদায় উন্নীত করি এবং প্রত্যেক জ্ঞানীর উপরে আছে অধিকতর এক জ্ঞানীজন।” [সূরা ইউসুফ – ৭৬]
  • “… আর পার্থিব জীবন ধোঁকা ছাড়া অন্য কোন সম্পদ নয়”। [আল ইমরান ১৮৫]
  • “তোমরা তাদের মত হয়ো না যারা আল্লাহকে ভুলে যাওয়ার কারণে আল্লাহ তাদের নিজেদেরকেই ভুলিয়ে দিয়েছেন। তারাই ফাসেক।” [সূরা হাশর ১৯]
  • “হে আমার রব! আমাকে নামায প্রতিষ্ঠাকারী করো এবং আমার বংশধরদের থেকেও । পরওয়ারদিগার! আমার দোয়া কবুল করো”।.. [সূরা ইবরাহিম ৪০]
  • “…..আসলে আমার রব নিশ্চয়ই দোয়া শোনেন”। [সূরা ইবরাহিম ৩৯]
  • “পিতামাতার সাথে সদ্ব্যবহার আয়ু বাড়ায়, মিথ্যা বলা জীবিকা কমায়, এবং দোয়ায় ভাগ্য ফিরায়”। [আল হাদিস, ইসবাহানী]
  • “….তিনি তার বান্দাদের মধ্যে থেকে যাকে চান অনুগ্রহ করেন এবং তিনি ক্ষমাশীল ও দয়ালু।” [সূরা ইউনুস ১০৭]
  • “…আর যদি তিনি তোমার কোন মঙ্গল চান তাহলে তার অনুগ্রহ রদ করারও কেউ নেই…” [সূরা ইউনুস ১০৭]
  • “যদি আল্লাহ‌ তোমাকে কোন বিপদে ফেলেন তাহলে তিনি ছাড়া আর কেউ নেই যে, এ বিপদ দুর করতে পারে। …” [সূরা ইউনুস ১০৭]
  • ” আল্লাহর সান্নিধ্যেই তোমাদেরকে ফিরে যেতে হবে। আর তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।” … [সূরা হুদ ৪]
  • “…হে আমার পালনকর্তা, ক্ষমা করুন ও রহম করুন। রহমকারীদের মধ্যে আপনি শ্রেষ্ট রহমকারী।” [সূরা আল মু’মিনূন -১১৮]
  • “…হে আমাদের প্রতিপালক ! তাঁদের (পিতা-মাতা) প্রতি দয়া কর যেভাবে শৈশব তাঁরা আমাকে প্রতিপালন করেছেন।” [সূরা আল ইসরা ২৪]
  • “আপনি আপনার মহান পালনকর্তার নামের পবিত্রতা বর্ণনা করুন যিনি সৃষ্টি করেছেন ও সুবিন্যস্ত করেছেন।” [সূরা আল আ’লা ১-২]
  • “নিশ্চয় আল্লাহ তাদের সঙ্গে আছেন, যারা পরহেযগার এবং যারা সৎকর্ম করে।” [আন নাহল ১২৮]
  • “…হে পরওয়ারদেগার! আমাদেরকে দুনিয়াতেও কল্যাণ দান কর এবং আখিরাতেও কল্যাণ দান কর এবং আমাদেরকে দোযখের আযাব থেকে রক্ষা কর।” [বাকারা ২০১]
  • “…আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজ করতে চান; তোমাদের জন্য জটিলতা কামনা করেন না…” [আল বাকারা ১৮৫]
  • “…বস্তুতঃ আমি রয়েছি সন্নিকটে। যারা প্রার্থনা করে, তাদের প্রার্থনা কবুল করে নেই, যখন আমার কাছে প্রার্থনা করে।… ” [আল বাকারা ১৮৬]
  • “…নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারী এবং অপবিত্রতা থেকে যারা বেঁচে থাকে তাদেরকে পছন্দ করেন।” [আল বাকারা ২২২]
  • “…আর আল্লাহর চেয়ে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় কে অধিক?…” [আত তাওবাহ ১১১]
  • “…আর আল্লাহ পবিত্র লোকদের ভালবাসেন।” [আত তাওবাহ ১০৮]
  • “হে ঈমানদারগণ, আল্লাহকে ভয় কর এবং সত্যবাদীদের সাথে থাক” [আত তাওবাহ ১১৯]
  • “…আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ব্যতীত আর কারো বন্দেগী নেই। আমি তাঁরই ভরসা করি এবং তিনিই মহান আরশের অধিপতি।” [আত তাওবাহ ১২৯]
  • “…যদি কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর, তবে তোমাদেরকে আরও দেব এবং যদি অকৃতজ্ঞ হও তবে নিশ্চয়ই আমার শাস্তি হবে কঠোর।” [সূরা ইবরাহিম ৭]
  • “…আল্লাহ মানুষের জন্যে দৃষ্টান্ত বর্ণণা করেন- যাতে তারা চিন্তা-ভাবনা করে”। [সূরা ইবরাহিম ২৫]
  • “অতঃপর যখন কোন কাজের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ফেলেন, তখন আল্লাহ তা’আলার উপর ভরসা করুন আল্লাহ তাওয়াক্কুল কারীদের ভালবাসেন।” [আলে ইমরান : ১৫৯]
Advertisements
No comments yet

আপনার মন্তব্য রেখে যান এখানে, জানিয়ে যান আপনার চিন্তা আর অনুভুতি

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: