Skip to content

রামাদানের প্রস্তুতির জন্য ৮ টি সহজ টিপ্‌স

জুন 23, 2014

অনুবাদ করেছেন: মুসাফির শহীদ
ramadan


​রামাদানে বা হজ্জের সময় ছাড়া বছরের অন্যান্য সময় কেন সালাতে মনোযোগ দিতে কষ্ট হয় কিংবা কেন আমাদের ঈমান দুর্বল থাকে তা ভেবে আপনি কি কখনো বিষ্মিত হয়েছেন? এর কারণ হতে পারে, সচরাচর আমরা সাধারণত একটি ফোনালাপের পরপরই তাকবীরে চলে যাই কিংবা অন্য আর সবার মতোই আমরা আমাদের চারপাশের পরিবেশ দ্বারা প্রভাবিত হই, যা আমাদের প্রকৃত অনুভূতি নয়। আরও পড়ুন…

কোথায় পাব তারে

ফেব্রুয়ারি 28, 2012

লিখেছেন : শরীফ আবু হায়াত অপু
dripto-uccharon
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম


আমি জীবনে যখন প্রথম ‘ক্রাশ খাই’, তখনও বাগধারাটার মানে জানতাম না। জানার কথাও না, কারণ বাগধারাটার মতই খাদ্যদ্রব্য হিসেবে ‘ক্রাশ’ বেশ আধুনিক। আজ থেকে পঞ্চাশ-ষাট বছর আগে মানুষ ‘ক্রাশ’ খাওয়া তো দূরের কথা ক্রাশ খাওয়ার সুযোগও পেত না। আমরা ফিরিঙ্গিদের দেখাদেখি সিনেমা-নভেল-নাটকের বরাতে সভ্য-ভব্য হয়েছি, পাৎলুন পরে শিল্প-ঐতিহ্য চর্চায় নেমেছি। শেষমেশ ঘরের কোণে এক বাক্সে বাঈজীখানা, থিয়েটার আর সিনেমা হল বন্দী করে সভ্যতার সুঁইয়ের মাথায় আরাম করে বসেছি। নব্বইয়ের দশকে আকাশ থেকে সংষ্কৃতির বর্ষণ শুরু হবার পরে সেই সূচবৃষ্টি থেকে বাঁচে কার বাবার সাধ্য! তো রাস্তাঘাট থেকে বনেদি বৈঠকখানা, সকাল-সন্ধ্যা ‘এক লাড়কি কো দেখা তো এয়সা লাগা’ শুনে বড় হওয়া আমার জন্য যা অবধারিত ছিল, তাই হয়ে গেল। আমি ক্রাশ খেলাম। আরও পড়ুন…

তাই স্বপ্ন দেখবো বলে আমি দু’চোখ পেতেছি

অগাষ্ট 22, 2011

লিখেছেনঃ স্বপ্নচারী আব্দুল্লাহ



আমরা একবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের একটা সময় অতিক্রম করছি এখন। সময়টা কঠিন যাচ্ছে। এমন কঠিন সময় হয়ত যুগে যুগেই নির্দিষ্ট বিরতি পর পর আসে। যুগের বিচার করলে আমাদের চলে না। আজ থেকে মাত্র ১০০ বছর আগে এই পৃথিবীতেই ঘটে গিয়েছিলো নারকীয় বিশ্বযুদ্ধ। হানাহানি-খাদ্যমন্দা-ক্ষমতা দখলের লড়াইতে ডুবে ছিলো সমগ্র বিশ্ব। অনেকেই অনেক অর্জন করেছে, তারপর বছর বিশ যেতে না যেতেই আবার আরো বড় ভয়ংকর সময় — সেই ক্ষমতা খাটানোর যুদ্ধে জাপানের হিরোশিমা নাগাসাকিকে বিষাক্ত করে দিয়ে লক্ষ লক্ষ প্রাণনাশ করে দিয়ে আমেরিকান জাতিগোষ্ঠী বিশ্বকে কব্জা করেছে আপন কৌশলে। অথচ তার দুইশ বছর আগেও ব্রিটিশ সূর্য ডুবতো না কোথাও। এমন আরো অজস্র চোখ দিয়ে দেখা যাবে “সময়”গুলো। আরেকটু উপরে উঠি? যখন সভ্যতাগুলো হারিয়ে গেলো। ফারাওদের মিশর, মেগাস্থিনিস, ব্যাবিলন, ইনকা, মায়া, পাল সাম্রাজ্য, সেনদের রাজত্ব, অটোমান এম্পায়ার -অমন শত শত সভ্যতা পাওয়া যাবে হয়ত যদি হিসেব করি এই সৃষ্টির শুরু থেকে। কিন্তু তাদের অমন হিসেব করে আমাদের লাভ নেই। সভ্যতা টেকে কয়েকশত বছর। আমরা বাঁচি খুব বেশি হলে অর্ধশত বছর।

আরও পড়ুন…

তোমার জন্য লেখা [কবিতা]

জুন 22, 2011

লিখেছেনঃ শাহ মোহাম্মদ ফাহিম

সময়টা বড়ই অস্থির
এক পা আগালে দুই পা পিছাতে হয়,
নিত্য ব্যস্ততা ও কোলাহলের মধ্যেও
সব কিছু কেমন যেন নিথর নিস্তব্ধ,
পাড়ার কুকুরগুলোও কয়েকদিন ধরে একটু বেশিই নিশ্চুপ
ফরমালিন মেশানো মাছের মত
মানুষের মুখের হাসিও কেমন যেন অসাঢ়,
শহুরে যান্ত্রিক জীবনের আড়ালে ভূতুড়ে নীরবতা
যেন কুয়াশার চাদরে জড়ানো শীতের বিবর্ণ সকাল।

.
তুমি নেই বলেই হয়ত সব কিছু এমন স্থির
গুমোট মেঘের আড়াল আকাশের নীল,
টংয়ের চা,
তিন তলা,
মিতালী হোটেল,
আকাশের খিচুড়ী,
বিকেলের ক্রিকেট,
রাতভর আড্ডা,
তারুণ্যের উচ্ছ্বাস,
আগামী প্রজন্মকে গড়ার অঙ্গীকার,
সব কিছুতেই যেন জারি করা সামরিক হুলিয়া। আরও পড়ুন…

রামাদান আসছে – তৈরি তো আমি?

জুন 2, 2015

লিখেছেন: মুসাফির শহীদ
ramadan

“রামাদান আসে রামাদান যায়। কিন্তু আমি সে-ই আগের আমিতেই রয়ে যাই।”– প্রতি বছরই রামাদান শেষে আমাদের অনেকেরই এমন অনুভূতি হয়ে থাকে। সাধারণত প্রায় আমরা সবাই প্রতিবছর রামাদানের আগে নিজেকে বদলানোর জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হই। কিন্তু রামাদান শেষে দেখা যায় আমাদের মাঝে পরিবর্তন খুবই সামান্য এবং তা স্বল্পস্থায়ী। দুঃখজনক হলেও সত্য এই ব্যর্থতা সম্পর্কে আমরা বুঝতে পারলেও এর পেছনের কারণ এবং ব্যর্থতাকে সফলতায় পরিণত করার উপায় ও করণীয় সম্পর্কে আমরা খুব কম মানুষই ভাবি। আমাদের সামনে আবার আসছে রামাদান। কিন্তু নিজেকে বদলানোর জন্য এবার আমরা পুরোপুরি তৈরি তো?

পূর্বের রামাদানগুলোতে আমাদের ব্যর্থতার কারণ কী ছিলো এবং সেই ব্যর্থতাগুলোকে সফলতায় পরিণত করতে আমাদের করণীয় কী তার কিছু দিকনির্দেশনা নিয়েই ইনশা আল্লাহ আমার এই লেখা। লেখার প্রথম ভাগে আমরা আমাদের বিগত রামাদানগুলোতে প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হওয়ার কারণগুলো খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করবো। ফলে দ্বিতীয় ভাগে এই কারণগুলোর আলোকেই আমাদের এবারের করণীয় সাজাতে পারবো। আরও পড়ুন…

সবার জন্য ভালো গল্প : ইসলামী সমাজের নৈতিক ভিত্তি

মে 31, 2015

লিখেছেন: স্বপ্নচারী আব্দুল্লাহ।

ছোটকালে গল্প পড়তাম অনেক, সবাই কমবেশি তেমনই পড়ে। আমরাও এখন ছোটদের পড়াই, আমাদের বড়রাও পড়েছেন। রূপকথা পড়তে পড়তে রাক্ষস-খোক্কস, দৈত্য-দানো, হিজিবিজি সব গল্প পড়েছি। পড়েছি বিদেশের অনেক গল্প, মালয়-চীনের রুপকথা। কোথাও বেড়াতে গেলে বুকশেলফ, টেবিলের পাদানির নিচে ঘেঁটে-ঘুটে বই খুঁজে পড়ে সময় কাটাতাম। কিছু বই পড়ে কল্পনাশক্তি বাড়তো, আনন্দ হতো। কিছু বই পড়ে গা ঘিনঘিন লাগতো কেননা গল্পের দৃশ্যপট খুব বাজে ও নোংরা মতে হতো। স্মৃতিগুলো আমি ভুলিনি, মনে দাগ কেটে আছে সেসব সময়গুলো… আরও পড়ুন…

আহূতি

মে 3, 2015

লিখেছেন: সুপ্ত তাহারাত
ahuti

সকালের ক্লান্তিহীন ঝরে পড়া সোনারোদ,
আর গর্তে লুকানো আমরা,
তবু চলে যাওয়া সময়ের স্মৃতি হতে চাইনি কেউই।
কী চেয়েছিলাম আর কী পেলাম,
সে হিসাবের কালি আজ ফিকে হয়ে এসেছে,
জীর্ণ কাগজ পড়ে আছে প্রৌঢ় ভাগাঢ়ে
হয়তবা জ্বালানী হয়েছে কোন লকলকে শিখার।
গাঢ় কুয়াশার অস্পষ্টতায়,
মানুষের স্বপ্ন পোড়া ধোঁয়া
চোখে জ্বালা ধরায়।
মৃত্যুর স্তব্ধতায় ভয়ার্ত ঠেকে হৃদ স্পন্দন।

হে অনাগত প্রজন্ম,
মৃত্যুর অগণন মিছিলে হেঁটে যাওয়া
আমাদের ভীরুতা আর কাপুরুষতা রেখে গেলাম তোমাদের তরে,
কালচে হয়ে যাওয়া সমাজের শরীরে।
হেলায় ফেলে যে পরশ পাথর
আমরা লুকালাম ইঁদুরের গর্তে,
তার ছোঁয়ায় সীসা-ঢালা প্রাচীরের মত দাঁড়িয়ে যাবে।
নষ্ট পৃথিবীকে তোমরা শুনাবে সে জাগরণের গান,
শাশ্বত সত্যের দিকে যার আহবান।

* * * * * * * * * *
# ছবি কৃতজ্ঞতা: গুগল ইমেজ
# লেখিকার ব্লগ: শুভ্রতার স্পর্শ

স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর সেরা ১০ টি উপায়

নভেম্বর 2, 2014

লিখেছেনঃ মুসাফির শহীদ
memory


আমরা যারা ইসলামকে সামান্য হলেও মেনে চলার চেষ্টা করি তাদের অনেকেরই ইচ্ছা থাকে নতুন নতুন দু’আ, কুর’আনের আয়াত ও সূরা মুখস্থ করার। হয়তো আমরা অনেকেই সে চেষ্টা করেছি। কেউ কেউ সফল হয়েছি এবং হচ্ছি। কেউবা আবার ব্যর্থ হয়ে হাল ছেড়েও দিয়েছি। মুখস্ত করতে ব্যর্থ হওয়ার পেছনের একটি অন্যতম কারণ হলো এটা মনে করা যে, আমাদের স্মৃতিশক্তি কমে গিয়েছে। তাহলে এই স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর উপায় কী? আসুন এ ব্যাপারে জেনে নেই কিছু কৌশল।

স্মৃতি বলতে মূলত তথ্য ধারণ করে পুনরায় তা ফিরে পাওয়ার প্রক্রিয়াকে বোঝায়। বিজ্ঞানীরা আমাদের স্মৃতিকে প্রধানত দুভাগে ভাগ করেছেনঃ ১. স্বল্পস্থায়ী বা স্বল্প মেয়াদী স্মৃতি, ২. দীর্ঘস্থায়ী বা দীর্ঘ মেয়াদী স্মৃতি। খুব অল্প সময়ের জন্য আমাদের মস্তিষ্ক যে সব স্মৃতি স্থায়ী থাকে সেগুলো হচ্ছে স্বল্পস্থায়ী স্মৃতি। আর দীর্ঘ সময়ের জন্য আমাদের মস্তিষ্ক যেসব স্মৃতি সংরক্ষিত থাকে সেগুলো হচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতি। এই লেখায় আমরা মূলত দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর কিছু কৌশল নিয়ে আলোচনা করবো।

১. ইখলাস বা আন্তরিকতাঃ যে কোনো কাজে সফলতা অর্জনের ভিত্তি হচ্ছে ইখলাস বা আন্তরিকতা। আর ইখলাসের মূল উপাদান হচ্ছে বিশুদ্ধ নিয়ত। নিয়তের বিশুদ্ধতার গুরুত্ব সম্পর্কে উস্তাদ খুররাম মুরাদ বলেন,

“উদ্দেশ্য বা নিয়ত হল আমাদের আত্মার মত অথবা বীজের ভিতরে থাকা প্রাণশক্তির মত। বেশীরভাগ বীজই দেখতে মোটামুটি একইরকম, কিন্তু লাগানোর পর বীজগুলো যখন চারাগাছ হয়ে বেড়ে উঠে আর ফল দেওয়া শুরু করে তখন আসল পার্থক্যটা পরিস্কার হয়ে যায় আমাদের কাছে। একইভাবে নিয়ত যত বিশুদ্ধ হবে আমাদের কাজের ফলও তত ভালো হবে।”

আরও পড়ুন…

কত টাকা জমালে ছেলে বিয়ের যোগ্য হবে?

নভেম্বর 2, 2014

​লিখেছেনঃ মোহায়মেন
biyerjoggota

বিয়ের বয়স নিয়ে কয়েকদিন আগে আলোচনা জমে উঠেছিল ব্লগে। ব্লগারদের যারা এই বিষয়ক আলোচনায় অংশ নিয়েছেন, তাদের অধিকাংশের মতামত হচ্ছে, ছেলেদের বিয়ের বয়স ২৫ আর মেয়েদের ২২ – এর কাছাকাছি। তবে অনেকেই মনে করেন, স্ত্রীকে ভরণপোষণ করার আর্থিক যোগ্যতা না হলে বিয়ে করা একদমই ঠিক হবে না।

প্রশ্ন হচ্ছে, ভরণপোষণের আর্থিক যোগ্যতা টাকার অংকে কত? কত টাকা মাসিক আয় হলে বা জমা হলে একজন তরুন বিয়ের চিন্তা করতে পারে?

বেশ কয়েক বছর আগে টিভিতে একটা বিজ্ঞাপন দেখাতো। এক তরুন গাড়ীতে (প্রাইভেট কারে) চলন্ত অবস্থায় মাকে ফোন করে বলছে, “ব্রীজের কনট্রাক্টটা পেয়ে গেছি। …. তে একটা প্লট বুকিং দিয়ে দিলাম।”

মা বললেন, “গাড়ী হলো, বাড়ী হলো, এবার বিয়েটা করে ফেল বাবা।”

গাড়ী, বাড়ী হওয়ার পর একজন সুন্দরী নারীকে ঘরে আনার চিন্তা করাটা হয়তো অনেকেই নিরাপদ মনে করবেন। তবে, ব্রীজের কনট্রাক্ট পাওয়ার ভাগ্য যেমন সকলের হয় না, তেমনি গাড়ী, বাড়ী (বিশেষ করে এই ঢাকা শহরে) করার পর বিয়ে করতে হলে ছেলেটাকে হয়তো পুরো যৌবনটাই আইবুড়ো থাকতে হবে।

তাহলে আর্থিক সামর্থ্য কতটুকু হলে বিয়ে করা যাবে?

এ বিষয়ে নিজের জীবনের কাহিনী বলার লোভ সামলাতে পারছি না। আরও পড়ুন…

আপনার সন্তান আমার সিঁড়িঘরে কী করে?

অক্টোবর 23, 2014

লিখেছেন – আহমেদ রফিক
Roger Tooth's reflection

আমাদের অফিস চারতলা থেকে পাঁচ তলায় এক্সটেনশন করেছে গত মাসে। পুরোপুরি প্রস্তুত হয়নি। তবু আমার ডিপার্টমেন্ট নিয়ে আমি উপরে চলে গেছি। আমি সেদিন যোহরের সালাহ আদায় করতে নিচে নামবো। বের হতে গিয়ে যেই না দরজাটা ভেতর থেকে টান দিয়ে খুলেছি; একটি মেয়ে ও একটি ছেলে আচমকা প্রায় ফ্ল্যাটের মধ্যে পড়ে যেতে গেলো। তারা দু’জনই বাইরে থেকে দরজায় হেলান দিয়ে দাড়িয়েছিল। আমি তো অবাক! এক জোড়াই নয়, তার সাথে সেখানে আরো দু’জোড়া টিনেজ ছিলো সেখানে। জিজ্ঞেস করে জানতে পারলাম যে, তারা উপরে একটি ইংলিশ মিডিয়াম কোচিং সেন্টারে এসেছে পড়ার জন্য।

মাস ছ’য়েক আগের কথা। আমি আমার মেয়ের পড়ার জন্য একজন মহিলা হোম টিউটর খুজছিলাম। আমার বাসার কাছেই একটা কোচিং সেন্টার আছে। ভাবলাম, সেখানে গেলে হয়তো পাওয়া যাবে। তো মাগরিবের সালাহ আদায়ের জন্য একটু টাইম হাতে নিয়ে নামলাম; যেন আগে সেখানে গিয়ে এসে জামা’আত ধরতে পারি। দো তলার সেই কোচিং সেন্টারে উঠে তো আমি লজ্জায় পড়ে গেলাম। ক্লাসরুমে টিচারদের কাউকে দেখলাম না। তারা তাদের রুমে। দেখলাম সন্ধার আলো-আধারিতে প্রায় প্রতিটি রুমেই দু’ তিনটি জোড়া ঘনিষ্ট হয়ে বসে ‘কোচিং’ করছে। এমন ‘আদর্শ’ স্থান থেকে মেয়ের জন্য টিচার নেওয়ার কথা ভাবতেই আমার গা ঘিনঘিন করে উঠলো। চলে এলাম তখনই। একটু ধৈর্য ধরতে হয়েছে। আলহামদু লিল্লাহ, আল্লাহ আমার মেয়ের জন্য পর্দানাশীন একজন ভালো টিচার মিলিয়ে দিয়েছেন।
আরও পড়ুন…

সংযমের সাহস

অক্টোবর 23, 2014

লিখেছেন: শাহ মোহাম্মদ ফাহিম
bishonno

শরতের কাশফুলের মত
মৃদু হাওয়ায় দোল খাওয়া অসংযত চুল,
কবিতার মত চোখ অার কৃষ্ণচূড়ার সাজ,
মুগ্ধ হৃদয়ে জাগিয়ে তোলে প্রেমের তিয়াস,
খুব করে ছুঁতে মন চায়
কলমি ফুলের পাঁপড়ি ছোঁয়া দুরন্ত ফড়িং,
মধ‍্যরাতের পুকুরে
নকশা অাঁকা জোনাকির উত্তাপ,
তবুও চোখ তুলে চাইনি অারেকবার
সংযত করেছি দ্বিতীয় দৃষ্টি,
কারন বিশ্বাসের সবকে শিখেছি
তা নিজের নয়, অাযাযিলের।
খুব কাছে এসেও দূরে সরতে গিয়ে
হৃদয়ে বেজেছে
বিষাদ মাখা দোয়েলের শিষ,
তবুও অাশ্বিনের প্রথমে, ধানক্ষেতের সবুজে
নত চোখে দাঁড়ানো বকের মত
স্থির দৃষ্টিতে ধারন করেছি সংযমের সাহস।

যদি সুকুন চাও
চাও বৃষ্টিভেজা পাও ফুলের মত
স্বাচ্ছন্দ‍্যের সজীবতা,
তবে নিজেকে জুড়ে নাও বিশ্বাসের সূতায়,
ক্বলমা পড়েই দুজনে তখন
মেনে নিব বৈধ বন্ধন,
এরপর কনকচূড়ার মুঠো হাতে
চোখ তুলে দেখব তোমায় দ্বিতীয়বার,
পবিত্র সে লগনে, বধূবরণের তরে
চারপাশে ঘিরে থাকবে
পায়রার চরের সন্ধ‍্যার রঙ।
দুহাতে অাবির মেখে তখন
ভালোবাসার লিবাস হয়ে
জড়িয়ে নিব তোমার হৃদয়।

সকালের নরম রোদের দোহাই,
দোহাই রাতের
যখন ঘন হয়ে ওঠে নিস্তব্ধ অন্ধকার,
ভালোবাসলে তোমার হৃদয়ও হবে
পাখির মতন,
ডানা মেলে তুমিও ছুঁবে তখন
মেঘের অাকাশ,
কালো মেঘে ঢেকে যাওয়া পূর্ণ চাঁদ;
মুগ্ধ চোখে দেখবে
জোনাকির কোমল অালোয়
হরিণবাড়িয়ার বুকে বৃষ্টির নৃত্য,
শরতের বাতাসে দুলে ওঠা ছোট নাও,
অার দেখবে জীবন এবং
মানুষের মাঝে বেঁচে থাকার অানন্দ।

* * * * * * * *

লেখক পেশায় একজন চিকিৎসক। শব্দের সৌন্দর্য বদলে দিতে পারে মানুষের মন, এনে দিতে পারে প্রেরণা– এমনটি তার বিশ্বাস।

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.

Join 10,081 other followers

%d bloggers like this: