Skip to content

কোথায় পাব তারে

ফেব্রুয়ারি 28, 2012

লিখেছেন : শরীফ আবু হায়াত অপু
dripto-uccharon
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম


আমি জীবনে যখন প্রথম ‘ক্রাশ খাই’, তখনও বাগধারাটার মানে জানতাম না। জানার কথাও না, কারণ বাগধারাটার মতই খাদ্যদ্রব্য হিসেবে ‘ক্রাশ’ বেশ আধুনিক। আজ থেকে পঞ্চাশ-ষাট বছর আগে মানুষ ‘ক্রাশ’ খাওয়া তো দূরের কথা ক্রাশ খাওয়ার সুযোগও পেত না। আমরা ফিরিঙ্গিদের দেখাদেখি সিনেমা-নভেল-নাটকের বরাতে সভ্য-ভব্য হয়েছি, পাৎলুন পরে শিল্প-ঐতিহ্য চর্চায় নেমেছি। শেষমেশ ঘরের কোণে এক বাক্সে বাঈজীখানা, থিয়েটার আর সিনেমা হল বন্দী করে সভ্যতার সুঁইয়ের মাথায় আরাম করে বসেছি। নব্বইয়ের দশকে আকাশ থেকে সংষ্কৃতির বর্ষণ শুরু হবার পরে সেই সূচবৃষ্টি থেকে বাঁচে কার বাবার সাধ্য! তো রাস্তাঘাট থেকে বনেদি বৈঠকখানা, সকাল-সন্ধ্যা ‘এক লাড়কি কো দেখা তো এয়সা লাগা’ শুনে বড় হওয়া আমার জন্য যা অবধারিত ছিল, তাই হয়ে গেল। আমি ক্রাশ খেলাম। Read more…

তাই স্বপ্ন দেখবো বলে আমি দু’চোখ পেতেছি

অগাষ্ট 22, 2011

লিখেছেনঃ স্বপ্নচারী আব্দুল্লাহ



আমরা একবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের একটা সময় অতিক্রম করছি এখন। সময়টা কঠিন যাচ্ছে। এমন কঠিন সময় হয়ত যুগে যুগেই নির্দিষ্ট বিরতি পর পর আসে। যুগের বিচার করলে আমাদের চলে না। আজ থেকে মাত্র ১০০ বছর আগে এই পৃথিবীতেই ঘটে গিয়েছিলো নারকীয় বিশ্বযুদ্ধ। হানাহানি-খাদ্যমন্দা-ক্ষমতা দখলের লড়াইতে ডুবে ছিলো সমগ্র বিশ্ব। অনেকেই অনেক অর্জন করেছে, তারপর বছর বিশ যেতে না যেতেই আবার আরো বড় ভয়ংকর সময় — সেই ক্ষমতা খাটানোর যুদ্ধে জাপানের হিরোশিমা নাগাসাকিকে বিষাক্ত করে দিয়ে লক্ষ লক্ষ প্রাণনাশ করে দিয়ে আমেরিকান জাতিগোষ্ঠী বিশ্বকে কব্জা করেছে আপন কৌশলে। অথচ তার দুইশ বছর আগেও ব্রিটিশ সূর্য ডুবতো না কোথাও। এমন আরো অজস্র চোখ দিয়ে দেখা যাবে “সময়”গুলো। আরেকটু উপরে উঠি? যখন সভ্যতাগুলো হারিয়ে গেলো। ফারাওদের মিশর, মেগাস্থিনিস, ব্যাবিলন, ইনকা, মায়া, পাল সাম্রাজ্য, সেনদের রাজত্ব, অটোমান এম্পায়ার -অমন শত শত সভ্যতা পাওয়া যাবে হয়ত যদি হিসেব করি এই সৃষ্টির শুরু থেকে। কিন্তু তাদের অমন হিসেব করে আমাদের লাভ নেই। সভ্যতা টেকে কয়েকশত বছর। আমরা বাঁচি খুব বেশি হলে অর্ধশত বছর।

Read more…

তোমার জন্য লেখা [কবিতা]

জুন 22, 2011

লিখেছেনঃ শাহ মোহাম্মদ ফাহিম

সময়টা বড়ই অস্থির
এক পা আগালে দুই পা পিছাতে হয়,
নিত্য ব্যস্ততা ও কোলাহলের মধ্যেও
সব কিছু কেমন যেন নিথর নিস্তব্ধ,
পাড়ার কুকুরগুলোও কয়েকদিন ধরে একটু বেশিই নিশ্চুপ
ফরমালিন মেশানো মাছের মত
মানুষের মুখের হাসিও কেমন যেন অসাঢ়,
শহুরে যান্ত্রিক জীবনের আড়ালে ভূতুড়ে নীরবতা
যেন কুয়াশার চাদরে জড়ানো শীতের বিবর্ণ সকাল।

.
তুমি নেই বলেই হয়ত সব কিছু এমন স্থির
গুমোট মেঘের আড়াল আকাশের নীল,
টংয়ের চা,
তিন তলা,
মিতালী হোটেল,
আকাশের খিচুড়ী,
বিকেলের ক্রিকেট,
রাতভর আড্ডা,
তারুণ্যের উচ্ছ্বাস,
আগামী প্রজন্মকে গড়ার অঙ্গীকার,
সব কিছুতেই যেন জারি করা সামরিক হুলিয়া। Read more…

আপনার সন্তান আমার সিঁড়িঘরে কী করে?

অক্টোবর 23, 2014

লিখেছেন – আহমেদ রফিক
Roger Tooth's reflection

আমাদের অফিস চারতলা থেকে পাঁচ তলায় এক্সটেনশন করেছে গত মাসে। পুরোপুরি প্রস্তুত হয়নি। তবু আমার ডিপার্টমেন্ট নিয়ে আমি উপরে চলে গেছি। আমি সেদিন যোহরের সালাহ আদায় করতে নিচে নামবো। বের হতে গিয়ে যেই না দরজাটা ভেতর থেকে টান দিয়ে খুলেছি; একটি মেয়ে ও একটি ছেলে আচমকা প্রায় ফ্ল্যাটের মধ্যে পড়ে যেতে গেলো। তারা দু’জনই বাইরে থেকে দরজায় হেলান দিয়ে দাড়িয়েছিল। আমি তো অবাক! এক জোড়াই নয়, তার সাথে সেখানে আরো দু’জোড়া টিনেজ ছিলো সেখানে। জিজ্ঞেস করে জানতে পারলাম যে, তারা উপরে একটি ইংলিশ মিডিয়াম কোচিং সেন্টারে এসেছে পড়ার জন্য।

মাস ছ’য়েক আগের কথা। আমি আমার মেয়ের পড়ার জন্য একজন মহিলা হোম টিউটর খুজছিলাম। আমার বাসার কাছেই একটা কোচিং সেন্টার আছে। ভাবলাম, সেখানে গেলে হয়তো পাওয়া যাবে। তো মাগরিবের সালাহ আদায়ের জন্য একটু টাইম হাতে নিয়ে নামলাম; যেন আগে সেখানে গিয়ে এসে জামা’আত ধরতে পারি। দো তলার সেই কোচিং সেন্টারে উঠে তো আমি লজ্জায় পড়ে গেলাম। ক্লাসরুমে টিচারদের কাউকে দেখলাম না। তারা তাদের রুমে। দেখলাম সন্ধার আলো-আধারিতে প্রায় প্রতিটি রুমেই দু’ তিনটি জোড়া ঘনিষ্ট হয়ে বসে ‘কোচিং’ করছে। এমন ‘আদর্শ’ স্থান থেকে মেয়ের জন্য টিচার নেওয়ার কথা ভাবতেই আমার গা ঘিনঘিন করে উঠলো। চলে এলাম তখনই। একটু ধৈর্য ধরতে হয়েছে। আলহামদু লিল্লাহ, আল্লাহ আমার মেয়ের জন্য পর্দানাশীন একজন ভালো টিচার মিলিয়ে দিয়েছেন।
Read more…

সংযমের সাহস

অক্টোবর 23, 2014

লিখেছেন: শাহ মোহাম্মদ ফাহিম
bishonno

শরতের কাশফুলের মত
মৃদু হাওয়ায় দোল খাওয়া অসংযত চুল,
কবিতার মত চোখ অার কৃষ্ণচূড়ার সাজ,
মুগ্ধ হৃদয়ে জাগিয়ে তোলে প্রেমের তিয়াস,
খুব করে ছুঁতে মন চায়
কলমি ফুলের পাঁপড়ি ছোঁয়া দুরন্ত ফড়িং,
মধ‍্যরাতের পুকুরে
নকশা অাঁকা জোনাকির উত্তাপ,
তবুও চোখ তুলে চাইনি অারেকবার
সংযত করেছি দ্বিতীয় দৃষ্টি,
কারন বিশ্বাসের সবকে শিখেছি
তা নিজের নয়, অাযাযিলের।
খুব কাছে এসেও দূরে সরতে গিয়ে
হৃদয়ে বেজেছে
বিষাদ মাখা দোয়েলের শিষ,
তবুও অাশ্বিনের প্রথমে, ধানক্ষেতের সবুজে
নত চোখে দাঁড়ানো বকের মত
স্থির দৃষ্টিতে ধারন করেছি সংযমের সাহস।

যদি সুকুন চাও
চাও বৃষ্টিভেজা পাও ফুলের মত
স্বাচ্ছন্দ‍্যের সজীবতা,
তবে নিজেকে জুড়ে নাও বিশ্বাসের সূতায়,
ক্বলমা পড়েই দুজনে তখন
মেনে নিব বৈধ বন্ধন,
এরপর কনকচূড়ার মুঠো হাতে
চোখ তুলে দেখব তোমায় দ্বিতীয়বার,
পবিত্র সে লগনে, বধূবরণের তরে
চারপাশে ঘিরে থাকবে
পায়রার চরের সন্ধ‍্যার রঙ।
দুহাতে অাবির মেখে তখন
ভালোবাসার লিবাস হয়ে
জড়িয়ে নিব তোমার হৃদয়।

সকালের নরম রোদের দোহাই,
দোহাই রাতের
যখন ঘন হয়ে ওঠে নিস্তব্ধ অন্ধকার,
ভালোবাসলে তোমার হৃদয়ও হবে
পাখির মতন,
ডানা মেলে তুমিও ছুঁবে তখন
মেঘের অাকাশ,
কালো মেঘে ঢেকে যাওয়া পূর্ণ চাঁদ;
মুগ্ধ চোখে দেখবে
জোনাকির কোমল অালোয়
হরিণবাড়িয়ার বুকে বৃষ্টির নৃত্য,
শরতের বাতাসে দুলে ওঠা ছোট নাও,
অার দেখবে জীবন এবং
মানুষের মাঝে বেঁচে থাকার অানন্দ।

* * * * * * * *

লেখক পেশায় একজন চিকিৎসক। শব্দের সৌন্দর্য বদলে দিতে পারে মানুষের মন, এনে দিতে পারে প্রেরণা– এমনটি তার বিশ্বাস।

শূণ্যতার পরিসমাপ্তি

অক্টোবর 2, 2014

লিখেছেন: সুপ্ত তাহারাত
shunnota

আবারো রাত্রিশেষের নরম ভোর
কড়া নাড়ছে দরজার,
তার আগমনধ্বনি মিশে গেছে
অপেক্ষার ক্রান্তিকালে দাঁড়ানো আমাদের প্রসন্ন তাকবীরে।

জং ধরা হৃদয়ের টুকরাগুলো
ঝলসে উঠুক আরেকবার,
আর চারপাশে মুক্তোর দানা হয়ে ছড়িয়ে থাকা সময়
অপেক্ষায়…
কুড়িয়ে নেয়ার।
তারপর হৃদয়ের সবটুকু ভালোবাসা নিংড়ে দেয়া
অনন্ত প্রেমময়ের প্রতি।
বুঝিবা মহাসিন্ধুর মাঝে একফোঁটা জল
সিক্ত হয়ে উঠা প্রতিটি রগরেশার।

তারপর আবারো অপেক্ষা
শাণিত হয়ে উঠা অব্যর্থ হৃদয়ের,
আরেকটি কালরাত্রির পরাজয়ের সাক্ষ্য হবে বলে।
জুলুমের অন্ধকার ফেটে প্রদীপ্ত হোক সোনালী ভোর,
আর তার আগমনধ্বনি মিশে যাক,
অপেক্ষার ক্রান্তিকালে দাঁড়ানো আমাদের প্রসন্ন তাকবীরে।।

* * * *
লেখিকার নিজস্ব ব্লগ: শুভ্রতার স্পর্শ

রামাদান মাসে লক্ষণীয় কিছু বিষয়

জুন 30, 2014

লেখাটি islamQA.com ওয়েবসাইট থেকে সংকলিত
ramadan kareem

রামাদান মাসে লক্ষণীয় কিছু বিষয় :

  • আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় হল সে কাজ যা নিয়মিত করা হয় – তা অল্প হলেও। রমজান মাসের শুরুতে মানুষ আনুগত্য ও ইবাদতের খুব যোশ নিয়ে সক্রিয় থাকে। কিছুদিন পর নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। তাই এ ব্যাপারে সাবধান থাকুন এবং এই মহান মাসে পালনকৃত সমস্ত কাজ নিয়মিতভাবে ধরে রাখতে সচেষ্ট হউন।
  • একজন মুসলিমের উচিত এই মুবারক মাসে তার সময়ের সঠিক ব্যবস্থাপনায় সচেষ্ট হওয়া। যাতে করে কল্যাণ ও ভাল কাজে এগিয়ে যাওয়ার বড় বড় সুযোগ তার হাতছাড়া হয়ে না যায়। যেমন– রমজান মাস শুরু হওয়ার আগেই পরিবারের সদস্যদের প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী কিনে দিতে সচেষ্ট হওয়া। একইভাবে দৈনিক প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি এমন সময়ে কিনতে সচেষ্ট হওয়া যখন বাজারে ভিড় থাকে না। আরেকটি উদাহরণ হল: ব্যক্তিগত ও পারিবারিক দেখা সাক্ষাতের জন্য এমন রুটিন করে নেয়া যাতে ইবাদতে বিঘ্ন না ঘটে।
  • এই মুবারক মাসে বেশি বেশি ইবাদত করা ও আল্লাহর নৈকট্য লাভকে আপনার প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করুন।
  • সালাতের নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই মসজিদে হাযির হওয়ার ব্যাপারে মাসের শুরুতেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন। আল্লাহ তাআলার কিতাব তিলাওয়াত খতম (সমাপ্ত) করার সিদ্ধান্ত নিন। এই মহান মাসে নিয়মিত ক্বিয়ামুল লাইল পালন করার সংকল্প করুন। স্বীয় সম্পদ থেকে সাধ্যানুপাতে দান করার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হউন।

Read more…

রামাদান আসছে তাই আমাদের কী করা উচিত?

জুন 27, 2014

লিখেছেন: আসিফ সিবগাত ভূঞা
ramadanpic

রামাদান সামনে আসছে। আমাদের কী করা উচিৎ?

খুব বেশি প্ল্যানিং করার দরকার নেই। আমরা কুরআন হাদীস থেকে যা পাই তাতে খুব বেশি পরিমাণে টেকনিকালিটি দেখতে পাই না। খুব সিম্পল ৫টি স্টেপ ফলো করে আমরা সামনের রামাদানটিকে সেরা রামাদান করে তুলতে পারি:

১) প্রথম স্টেপটি রামাদানের আগেই নিতে হবে। সেটি হচ্ছে রামাদানের প্রস্তুতিমূলক রামাদানের এবং রোজার উদ্দেশ্য ও করণীয় সম্বন্ধে ভালো করে জেনে নেয়া। বহু রোজাদার রামাদান নিয়ে আপাত উচ্ছাস প্রকাশ করলেও প্ল্যান করছেন কেবল সময় আসলে না খেয়ে থাকার এবং তারাবীর নামাজ পড়ার। রামাদানের যা করণীয় তাতে এর বাইরেও আরও অনেক বেশি জানার আছে। এছাড়াও রোজার সময় হৃদয়ের অবস্থান এবং উপলব্ধি কেমন হওয়া উচিৎ সেটা নিয়েও জেনে রাখা উচিৎ। রিয়াদুস-সালেহীন গ্রন্থে রোজা ও রামাদানের ওপর যে হাদীসগুলো আছে সেগুলো অধ্যয়ন করা যেতে পারে। রামাদানের মূল যে উদ্দেশ্য তাকওয়া, সেই তাকওয়া কী সেটা ভালো করে বুঝে নেয়া উচিৎ।
Read more…

রামাদানুল মুবারাক

জুন 26, 2014

লিখেছেন: মাহমুদ
ramadanul

বছর ঘুরে আমাদের মাঝে এসেছে রামাদান মাস। সিয়াম সাধনার মাস। আল্লাহ আমাদের রামাদান দিয়েছেন, যার ফলে আমরা হয়ত পরহেজগারী অর্জন করতে পারবো। কুরআনুল কারীমে তিনি বলেনঃ

“হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরয করা হয়েছে, যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে পার। ” — [সূরা বাকারাহঃ ১৮৩]

রোযায় পানাহার এবং শারীরিক চাহিদাকে সংযত করার মাধ্যমে এবং আল্লাহর নির্দেশিত উপায়ে পূরণ করার মাধ্যমে আমাদের মাঝে একটা শক্তি তৈরি হবে, একটা আধ্যাত্মিক বোধ তৈরি হবে আমাদের পরহেজগার হতে, তাকওয়া সম্পন্ন হতে সাহায্য করতে পারে।

আল্লাহ তা’আলা কুরআনুল কারীমের বলেছেনঃ

“রমযান মাসই হল সে মাস, যাতে নাযিল করা হয়েছে কোরআন, যা মানুষের জন্য হেদায়েত এবং সত্যপথ যাত্রীদের জন্য সুষ্পষ্ট পথ নির্দেশ আর ন্যায় ও অন্যায়ের মাঝে পার্থক্য বিধানকারী। কাজেই তোমাদের মধ্যে যে লোক এ মাসটি পাবে, সে এ মাসের রোযা রাখবে। …… “
— [সূরা বাকারাহঃ ১৮৫]

পবিত্র কুরআনের কারণে আমাদের এই রামাদান বিশেষ তাৎপর্যময় হয়েছে। এই মহান গ্রন্থ কুরআন নিয়ে এই আয়াতে আছে দু’টি কথার উল্লেখঃ

১) তা আমাদের জন্য হিদায়াহ এবং সত্যপথ যাত্রীদের জন্য সুষ্পষ্ট পথ নির্দেশনা
২) ন্যায় ও অন্যায়ের মাঝে পার্থক্য বিধানকারী
Read more…

রামাদানের প্রস্তুতির জন্য ৮ টি সহজ টিপ্‌স

জুন 23, 2014

অনুবাদ করেছেন: মুসাফির শহীদ
ramadan

​রামাদানে বা হজ্জের সময় ছাড়া বছরের অন্যান্য সময় কেন সালাতে মনোযোগ দিতে কষ্ট হয় কিংবা কেন আমাদের ঈমান দুর্বল থাকে তা ভেবে আপনি কি কখনো বিষ্মিত হয়েছেন? এর কারণ হতে পারে, সচরাচর আমরা সাধারণত একটি ফোনালাপের পরপরই তাকবীরে চলে যাই কিংবা অন্য আর সবার মতোই আমরা আমাদের চারপাশের পরিবেশ দ্বারা প্রভাবিত হই, যা আমাদের প্রকৃত অনুভূতি নয়।

আমাদের অনেকেই খুব সাধারণ জীবন যাপন করি, আর অনেক ক্ষেত্রে আমাদের ঈমানের হ্রাস-বৃদ্ধি নির্ভর করে আসন্ন কোন ঘটনার উপর, উদাহরণস্বরূপঃ ‘রামাদান শুরু হলেই আমি প্রতিদিন এক পাতা কুর’আন তিলাওয়াত করবো; হজ্জ থেকে ফিরেই আমি প্রতি রাতে তাহাজ্জুদ আদায় করবো; আমার সন্তান জন্মলাভ করলেই আমি ধুমপান ছেড়ে দিব।’ আর এ ধরনের চিন্তাভাবনার কারণেই সাধারণত আমাদের প্রাপ্ত ফলাফল হয় সম্পূর্ণ বিপরীত। আমরা ধুমপান ছাড়তে পারি না, নিয়মিত তাহাজ্জুদ আদায় করতে পারি না, আর কুর’আন তিলাওয়াত শুরু করলেও কয়েকদিন বা কয়েক সপ্তাহ পর আমরা আবার আমাদের আগের অবস্থায় ফিরে যাই। কারণ, আমাদের এই ‘সংকল্প’ কিংবা ‘অনুভূতিগুলো’ আবেগ কিংবা ঝোঁকের কারণে সৃষ্ট; প্রকৃত চিন্তাভাবনার ফসল নয়। সাধারণত রামাদান কিংবা হজ্জের জন্য আমাদের কোন প্রস্তুতি থাকে না, যা আমাদের ঈমানকে বৃদ্ধি করতে পারে; অন্য সবাই যা করে আমরাও তা করি এবং আশা করি আমাদের ঈমান বেড়ে যাবে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এমন কিছু ঘটে না।

আপনি কি চান না আপনার রামাদান শুরু হোক অত্যন্ত ভালোভাবে এবং রামাদানের এই সুন্দর প্রভাব স্থায়ীভাবে বিরাজ করুক আপনার জীবনে? তাহলে এটা কীভাবে সম্ভব? আসুন জেনে নেই…এখানে ৮ টি ধাপ সম্পর্কে বর্ণনা করা হলো যা রামাদানের একটি স্থায়ী ফলাফল পেতে ইনশা আল্লাহ আপনাকে সাহায্য করবে– Read more…

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.

Join 8,446 other followers

%d bloggers like this: